• ঢাকা
  • রবিবার , ১২ এপ্রিল ২০২৬ , দুপুর ০১:১৬
  • ২৯ চৈত্র, ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
হোম / জাতীয়

জমি নেই তবুও পি,আই,সি'র কাজ হাতিয়ে নিলেন কাজ পূর্ণ বিবেচনায় লিখিত অভিযোগ উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বরাবরে।

রিপোর্টার : দৈনিক আলোর সকাল
জমি নেই তবুও পি,আই,সি'র কাজ হাতিয়ে নিলেন কাজ পূর্ণ বিবেচনায় লিখিত অভিযোগ উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বরাবরে। ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

শফিকুল বারী সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) গঠন নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২০২৪ সালে সফলভাবে কাজ সম্পন্নকারী কৃষক সালেহ আহমদকে বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের কাজ দেওয়ার অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর ও জেলা প্রশাসনে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।


​আবেদন সূত্রে জানা গেছে, রাজনগর গ্রামের কৃষক সালেহ আহমদ গত ২০২৪ সালে রাজনগর গ্রামের মাহবুর আলমের দোকান হতে উমেদপুর গ্রাম পর্যন্ত পিআইসি-এর কাজ অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করেছিলেন। পিআইসি বাঁধ সংলগ্ন আঙ্গারুলী সোনার হাওরে তার নিজস্ব ১১.৯২ একর ফসলি জমি রয়েছে। হাওরের নীতি অনুযায়ী, বাঁধের সংলগ্ন প্রকৃত কৃষকদের পিআইসিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা থাকলেও ২০২৫ সালের জন্য তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।


​অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এলাকার চিহ্নিত কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি— লুৎফুর রহমান ও শাহ জাহান, যাদের বাঁধ এলাকায় নিজস্ব কোনো জমি নেই, তারা অসৎ পথ অবলম্বন করে ২০২৫ সালের পিআইসি কমিটি নিজেদের নামে বাগিয়ে নিয়েছেন। স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের দাবি, যারা বাঁধের সুবিধাভোগী নয় এবং যাদের জমি নেই, তাদের হাতে বাঁধের দায়িত্ব দিলে কাজের মান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেবে।


​আবেদনকারী সালেহ আহমদ ও স্থানীয় কৃষকদের পক্ষে অভিযোগে বলা হয়েছে:

​বিতর্কিত ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দকৃত পিআইসি দ্রুত বাতিল করতে হবে।

​প্রকৃত সুবিধাভোগী ও অধিক জমির মালিক কৃষক সালেহ আহমদকে বাঁধের দায়িত্ব দিতে হবে।

​অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

​উক্ত অভিযোগের একটি অনুলিপি জেলা প্রশাসক, সুনামগঞ্জকেও প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ফসলের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস পাওয়া গেছে।


সারাবাংলা

আরও পড়ুন