প্রকাশিত : রবিবার , ২৫ মে ২০২৫ , রাত ০৯:৫৯।। প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার , ১৩ মার্চ ২০২৬ , দুপুর ০১:১৮

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্মবিরতিতে স্থবির


ফয়সাল আজম অপু, স্টাফ রিপোর্টারঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্মবিরতিতে স্থবির সোনামসজিদ স্থলবন্দর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্মবিরতির কারণে বন্ধ রয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। শনিবার (২৪ মে) সকাল থেকে স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক কাস্টমস ছাড়পত্র না পাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে। ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।  কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করার প্রতিবাদে অসহযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সোনামসজিদ স্থল কাস্টমসের এক কর্মকর্তা বলেন, এনবিআর বিলুপ্ত করার প্রতিবাদে অসহযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্দোলনরত কর্মকর্তারা। তারই অংশ হিসেবে স্থল কাস্টমসের কর্মকর্তারা সকাল ৯টা থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন। আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। ৫টার পর আমদানি পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক আসতে চাইলে ছাড়পত্র দেয়া হবে।ভারতীয় ট্রাকচালক রাজা রায় জানান, সকাল দশটার দিকে তিনি সোনা মসজিদ বন্দরে ঢোকার চেষ্টা করলে জানতে পারেন যে বাংলাদেশে কর্মবিরতি চলছে, এ কারণে তিনি শূন্যরেখায় চার ঘণ্টা থেকে আটকে রয়েছেন। সীমান্ত থেকে ভারতীয় বিভিন্ন মালামাল জব্দসীমান্ত থেকে ভারতীয় বিভিন্ন মালামাল জব্দ, আজ সরকারি অফিস ও ব্যাংক খোলাআজ সরকারি অফিস ও ব্যাংক খোলা, আরেক ভারতীয় ট্রাকচালক বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত রেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ৫০/৬০ টি পণ্যবাহী ট্রাক এভাবেই আটকে রয়েছে। অন্যদিকে আমদানিকারকের প্রতিনিধি গাজি আলম জানান, আকস্মিক এ কর্মবিরতির কারণে তার সাতটি পণ্যবাহী ট্রাক আটকে রয়েছে জিরো পয়েন্টে। বিকেল পাঁচটার পরে ছাড়পত্র দেয়া হলে বন্দরে ঐসব ট্রাক প্রবেশ করতে পারবে নয়তো সেখানেই পড়ে থাকবে। বন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. মাঈনুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশ করেনি। আমদানি পণ্য নিয়ে ভারতীয় ট্রাকগুলো শূন্যরেখা থেকে ভারতের মহদিপুর বন্দরে অপেক্ষা করছে। ওপারে আমদানি পণ্যবাহী কয়েকশ' ট্রাক আটকা পড়েছে। এর আগে এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা করে 'কলম বিরতি' কর্মসূচি পালন করে আন্দোলনরত কর্মকর্তারা। তবে ওই সময় স্থলবন্দর কলম বিরতির আওতামুক্ত ছিলো।