• ঢাকা
  • রবিবার , ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৬:১৩
  • ১২ মাঘ, ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উৎঘাটন, পুলিশের সংবাদ সম্মেলন

রিপোর্টার : দৈনিক আলোর সকাল
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের ভ্যান চালক হত্যার রহস্য উৎঘাটন, পুলিশের সংবাদ সম্মেলন ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

ফয়সাল আজম অপু, 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় অটোভ্যান চালক রাজু আহম্মেদ (২১) হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত একজন মূলহোতাসহ আরো দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাই হওয়া অটোভ্যান ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত। 

শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ এইসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মূল হোতা নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর সিঙ্গেরগাড়ী এলাকার তরিকুল ইসলামের ছেলে খাদেমুল ইসলাম মধু (২৪) ও নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের মসজিদপাড়া এলাকার আমানত আলী এবং তার ছেলে আমিনুর রহমান (২২)।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ জানান, চলতি মাসের ২৩ জুন সোমবার সকালে জেলার নাচোল উপজেলার পারিলা এলাকায় রাস্তার পাশের একটি আম বাগান থেকে ভ্যান চালক রাজু আহম্মেদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

এ ঘটনায় নিহত রাজুর মা সুলতানা বেগম অজ্ঞাত কয়েক জনকে আসামী করে নাচোল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও নাচোল থানা পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার তদন্তে নামে। তথ্য উপাত্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ২৬ জুন বৃহস্পতিবার ভোরে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থেকে মূল আসামি খাদেমুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, নিহত রাজুর সাথে আসামি খাদেমুলের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব সম্পর্ক ছিল। আর তাই রাজুর অটো ভ্যানটি ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে সে রাজুকে গাঁজা ও চুয়ানি জাতীয় মাদক সেবন করিয়ে প্রথমে অচেতন করে এবং পরে ধারালো চাকু দিয়ে গলা কেটে ও পিঠে আঘাত করে হত্যা করে অটোভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যায়। 

পরদিন সকালে সে আমানত ও তার ছেলে আমিনুরের কাছে ২০ হাজার টাকায় ভ্যানটি বিক্রি করে নিজ বাড়ী কিশোরগঞ্জ চলে যায়। পরে আসামি খাদেমুলের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু, রক্তমাখা কাপড় ও নিহতের মোবাইল ফোন এবং আমানত আলীর বাড়ী থেকে ভ্যানটি উদ্ধার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ২২ জুন বিকেলে রাজু প্রতিদিনের মতো অটোভ্যান নিয়ে বের হন। রাত ১০টার পরেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সন্দেহ জাগে। পরদিন সকালে পারিলা-চাঁনপুকুর গ্রামের কাছে একটি আমবাগানে তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শাহিন আকন্দ, নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


চাঁপাইনবাবগঞ্জ

আরও পড়ুন