• ঢাকা
  • বুধবার , ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , সকাল ০৮:৪৭
  • ২৯ মাঘ, ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

পীরগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি! ভূমি দস্যু বানালেন গণমাধ্যম কর্মী।

রিপোর্টার : দৈনিক আলোর সকাল
পীরগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি!   ভূমি দস্যু বানালেন গণমাধ্যম কর্মী। ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

সংবাদদাতা পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:-

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবুনপুর গ্রামে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ এর পুত্র নূর মোহাম্মদ মজনু ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রি করেন। কিন্তু কিছু স্বার্থন্বেষী মহল নূর মোহাম্মদ মজনু মিয়াকে যুবলীগ নেতা ও ভূমিদস্যু সাজালেন জনৈক গণমাধ্যম কর্মি। সরোজমিনে ঘটনা স্থলে গিয়ে এলাকাবাসী ও জমির মালিকের সাথে কথা বলে এবং কাগজপত্র মূলে দেখা গেছে উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবন পুর গ্রামের মৃত্যু আসান উল্লার পুত্র আমানুল্লাহ কবিরাজের মৌজা বাবন পুর ৭৯ দাগে এস এ খতিয়ান নং ১০১ আর এস খতিয়ান নং রেকর্ড মূলে জমির মালিক মরহুম আমানুল্লাহ কবিরাজ। তার পর তেক্ত সম্পত্তিতে ওয়ারিশ সূত্রে ২ পুত্র ৮ আট কন্যা অংশীদারিত্ব অর্জন করে। এরমধ্যে পুত্র মরহুম হারুন অর রশিদ মৃত্যুবরণ করলে তাহার পরবর্তী ওয়ারিশগণ ১ স্ত্রী ৪ পুত্র ৬ কন্যা সম্পত্তির অংশীদারিত্ব অর্জন করে। অতঃপর মরহুম হারুন অর রশিদের এক পুত্র নুর নুরনবী মিয়া মৃত্যুবরণ করলে ওয়ারিশ সূত্রে এক স্ত্রী তিন পুত্র জমির অংশীদারিত্ব পায়। এদিকে মরহুম হারুন আর রশিদের কন্যা নূর জাহান বেগম, নূর মোহাম্মদ মঞ্জু, নূর মোহাম্মদ মনজু মিয়া, নুরুল ইসলাম, শাহনাজ পারভীন, মাইদুল ইসলাম, মুরাদ আহমেদ, মাসুদ পারভেজ, রাফেজা বেগম, নুর নাহার খাতুন, হাসিনা বেগম, রিক্তা ফারেহা, ইসমত আরা এবং হাজেরা বেগম সঙ্গে হিস্যা অনুযায়ী ৭ শতক জমির মালিকানা অর্জন করে। জমির ৪০ সালের ৬২ সালের এবং বর্তমান পরচা অনুযায়ী উল্লিখিত ব্যক্তিগণ পৈত্রিক সূত্রের প্রাপ্ত। জমির সব মালিকগণ একত্রিত হয়ে বিক্রি করার প্রস্তাব করলে একই গ্রামে আরিফুল ইসলাম চার লক্ষ টাকার বিনিময়ে সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নং ২৫০৭/ গত ২০২৪: সালে ওয়ারিশন সাব কবলা প্রদান করেন। এদিকে একটি মহল উক্ত জমি ক্রয় করতে না পেরে বিজ্ঞ আদালতে একটি ১৪৪ ধারা মিথ্যা মামলা দায়ের করে। জমি যে ব্যক্তি কবলা গ্রহণ করেছেন সেখানে বাড়িঘর নির্মাণ কালে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন বাধা প্রদান করে। এ সময় জমিগৃহিতা ব্যক্তি ব্জমির মালিক কে বিষয়টি অবগত করলে সংশ্লিষ্ট গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে কবলাকৃত জমি থেকে তাদেরকে সরে যেতে বলেন। এ দিকে জমি না পেয়ে তারা একদল গণমাধ্যম কর্মীকে বিষয়টি নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে। গণমাধ্যম কর্মীরা সত্য মিথ্যা যাচাই না করে এবং জমির কাগজপত্র না দেখে একটি খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং লাইসেন্সবিহীন একটি অনলাইন পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয় মরহুম হারুন অর রশিদের পুত্র ও কন্যা গন জোরপূর্বক তাদেরকে জমি থেকে উচ্ছেদ করে বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়ে জায়গা দখল করেছে। এই কথাটির তীব্র প্রতিবাদ করেছেন মরহুম সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের পুত্র কন্যা ও ওয়ারিশগন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।


রংপুর

আরও পড়ুন