• ঢাকা
  • শুক্রবার , ১৭ এপ্রিল ২০২৬ , রাত ০৯:৪৯
  • ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি রায়হান কবীর না ফেরার দেশে চলে গেলেন

রিপোর্টার : দৈনিক আলোর সকাল
কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি রায়হান কবীর না ফেরার দেশে চলে গেলেন ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার:

কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ রায়হান কবীর ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং (সোমবার) রাত আনুমানিক ১০.৪৫ মিনিটে ঢাকায় অবস্থিত ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

রায়হান কবীর কুড়িগ্রাম আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মৃত, মাওলানা মোজাম্মেল হকের কনিষ্ঠ পুত্র। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। রায়হান কবীরের জন্ম চিলমারীতে হলেও তার শৈশব কৈশোর যৌবন কেটেছে কুড়িগ্রাম শহরে।

পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়হান কবীর দীর্ঘদিন ধরে হার্ট ও কিডনি জনিত সমস্যা সহ নানাবিধ জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। এর আগে তিনি কয়েকবার দেশের বাইরে গিয়েও চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।

গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের নেতাকর্মীসহ ঢাকার সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

হঠাৎ এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে নেতাকর্মীরা চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এদিকে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের মাতম বিরাজ করছে। জেলা উপজেলা ও তৃনমুলের অনেক নেতাকর্মী বলেন,রায়হান কবীর অত্যন্ত দায়িত্বশীল কর্মী বান্ধব ও দক্ষ নেতা ছিলেন।

তিনি ন্যায়পরায়ণ নিরহংকার ও স্নেহশীল মনের মানুষ।

রায়হান কবীর রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রদলের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল ও সবশেষে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে রায়হান কবীর হামলা মামলা সহ বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হন।

তিনি একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক ছিলেন। তার এই অসময়ে চলে যাওয়ায় কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট,ফুলবাড়ি,উলিপুর, চিলমারী,নাগেশ্বরী,ভুরুঙ্গামারী, রৌমারী,রাজিবপুরসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোক ও শূন্যতা দেখা দিয়েছে। এ শোক কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। রায়হান কবীর মৃত্যুকালে স্ত্রী,এক ছেলে এক মেয়ে ও অসংখ্য নিবেদিত নেতাকর্মী রেখে গেছেন।


কুড়িগ্রাম

আরও পড়ুন