ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
মোঃ নাজিম উদ্দিন, মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ-
আর মাত্র একদিন বাকি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল সকালে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। ভোটগ্রহণের এক দিন আগে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ সতর্কতায় রয়েছে প্রশাসন। এ আসনের ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬৯টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি কেন্দ্রকে ধরা হয়েছে অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ।
দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-১ সংসদীয় আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট আটজন প্রার্থী। তবে মূল লড়াই হবে বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ) প্রতীক ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুল (দাঁড়িপাল্লা) প্রতীক-এর মধ্যে। অন্য প্রার্থীরা হলেন- আবু জায়েদ আল মাহমুদ (কলস), ইসলামি আন্দোলনের বশির আহমেদ (হাতপাখা), বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন (মোটরগাড়ি), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম (হাতি), এবি পার্টির শফিউল বাসার (ঈগল) এবং জাতীয় পার্টির সৈয়দ ইফতেখার হাসান (লাঙ্গল)। জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দাউদকান্দি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় রয়েছে ১০৭টি ভোটকেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে অস্থায়ী ৪৯টিসহ মোট ভোটকক্ষ ৬৮৮টি। উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৮১ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৪ জন।
অন্যদিকে মেঘনা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে রয়েছে ৩৮টি ভোটকেন্দ্র। এখানে অস্থায়ী ২৯টিসহ মোট ভোটকক্ষ ২২৩টি। উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৩৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৭ হাজার ৬১৩ জন এবং নারী ভোটার ৫৪ হাজার ৭২২ জন। দুই উপজেলা মিলিয়ে ৬৯টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে প্রশাসন। মেঘনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী আক্তার জানান, উপজেলায় থাকা ৩৮টি ভোটকেন্দ্রই শতভাগ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। নদীবেষ্টিত চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চারটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেনসহ একটি দল দায়িত্ব পালন করবে। দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার বলেন, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ভোটকেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।