ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের মল্লিকপুর গ্রামের (১নং) ওয়ার্ডের হতদরিদ্র কালাম হোসেন অন্যের অটো রিক্সা বাড়ায় চালিয়ে কোন রকম ভাবে ঠাঁনা-পোঁড়ার মধ্যে দিয়ে সংসার চালান। এর মধ্যে ঝঁড়ের কবলে পড়ে ভেঙে গেছে মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই বসত ঘরটি। কালাম হোসেনের সংসারে স্ত্রী সহ এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। হতদরিদ্র কালাম হোসেন নিজেও রোগে আক্রান্ত প্রতিদিন সংসারের খরচ বহন করার পর কিনতে হয় নিজের ওষুধ এভাবেই চলে যায় তার দিনের পর দিন। গত কয়েতক দিন ধরে মাথা গোঁজার ঠাঁই বসত ঘরটি পুনরায় মেরামত করার জন্য তিনি বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করছেন তবে মিলছেনা কোন সমাধান। সাহায্যের জন্যে আক্ষেপ করছে কালাম হোসেনের পরিবার।
কালাম হোসেন বলেন, বসত ঘরটিতে স্ত্রী ছেলে মেয়ে নিয়ে তিনি কোন রকম ভাবে সংসার চালিয়ে বসবাস করে আসছিলেন কিন্তু মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই বসত ঘরটি গত কয়েক দিন আগে ঝড়ের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। তার বসতঘর ভেঙে যাওয়ায় তিনি এখন আশেপাশের অন্যের বাড়িতে রাত্রিযাপন করে দিনের বেলায় আবার তিনি ও তার পরিবার নিজের ভেঙে যাওয়া ঘরেই ফিরে যান এভাবেই কাটছে তাদের দিন। ভেঙে যাওয়া ঘরটি মেরামত করার মত তার কাছে কোন অর্থও নেই চেয়েছেন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা।
কালাম হোসেন এর স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বলেন, আমার স্বামী একমাত্র আমাদের পরিবারের উর্পাজনকারী ব্যক্তি কোন রকম ভাবে আমাদের সংসার চলে। এই জড়াজীর্ন বসত ঘরটি আমাদের একমাত্র সম্বল, কিন্তু এই বসত ঘরটি ঝড়ে বাতাসে বেঙে যাওয়ায় আমরা পাশের বাড়িতেই থাকি।
‘সরে জমিনে গিয়ে দেখাযায়, ভেঙে যাওয়া ঘরটিতে থাকা আসবাবপত্র গুলো সরাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের মানুষের হতাশার চাপ, এই দৃশ্য যেন দেখার কেউ নেই, ভেঙে যাওয়া ঘরের চারদিকে রয়েছে হতাশার গল্প, যেন শোনার মত কেউ নেই।’
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল মতিন খাঁন বলেন, এই বিষয়টি আমি সরে জমিনে গিয়ে দেখবো।