ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
মো: জাহাঙ্গীর আলম,স্টাফ রিপোর্টার,(রাজশাহী)
রাজশাহীর বাগমারায় বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে গুদামে জারকিন ও ব্যারেলের মধ্যে পেট্রোল ও ডিজেল মজুদ করছিলেন এক মুদি দোকানি আবদুস সাত্তার (৪৫)। গোপনে তিনি ২৫০-৩০০ টাকা লিটার দরে বিক্রিও করছিলেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি—পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
অবৈধভাবে মজুদ করা ৬৬০ লিটার জ্বালানি তেল মঙ্গলবার জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে খোলা বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জব্দ করা জ্বালানি তেল বিক্রি করে দেওয়া হয়। অবৈধ মজুদের দায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা এই আদালত পরিচালনা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী আবদুস সাত্তার ঝিকড়া নামকান গ্রামের মৃত কেফাতুল্লাহর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ভবানীগঞ্জ এলাকায় ব্যবসা করে আসছেন।
বাগমারা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছি ময়েজ উদ্দিন মার্কেটের ওই মুদি দোকানি দোকানের ভেতরে জারকিন ও ব্যারেলের মধ্যে জ্বালানি তেল মজুদ করে রেখেছিলেন। সুযোগ বুঝে ২৫০-৩০০ টাকা লিটার দরে তা বিক্রি করছিলেন।
এ বিষয়ে গোপন সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে দোকানের ভেতরে গোপন স্থানে রাখা জারকিন ও ব্যারেল উদ্ধার করা হয়। সেগুলো খুলে জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। পরে আবদুস সাত্তারকে আটক করা হয় এবং জব্দ করা হয় ব্যারেল ও জারকিন। এতে ৬৬০ লিটার অকটেন পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে পেট্রোল ও ডিজেল মজুদ করেছিলেন। এগুলো তিনি বেশি দামে সংগ্রহ করেছিলেন।
পরে বেলা ১১টায় জব্দ করা জ্বালানি তেলসহ তাকে দোকানে আনা হয়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হলে তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা থেকে এসব জ্বালানি সংগ্রহ করেছিলেন বলে জানান।
পরে জব্দ করা জ্বালানি তেল খোলা বাজারে বিক্রি করা হয় এবং কিছু অংশ একটি পেট্রল পাম্পে দেওয়া হয়। অবৈধভাবে মজুদ করার দায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।