আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নির্বাচনের মাঠ। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ৪ নং উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। এ অবস্থায় নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম শাহ।
দীর্ঘদিন ধরে উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। স্থানীয় রাজনীতিতে একজন অভিজ্ঞ, গ্রহণযোগ্য ও তৃণমূলের নেতা হিসেবে পরিচিত নজরুল ইসলাম শাহ ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় কার্যক্রম জোরদার করেছেন। ফলে তাকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি ব্যক্তি ইমেজের কারণেও তিনি সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর বড়দল ইউনিয়নে অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রিয়তা নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সেই বিবেচনায় হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম শাহ একজন শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, উত্তর বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে হাজী নজরুল ইসলাম শাহ দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত বড়দল উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলনে তিনি সদস্য সচিবের দায়িত্বে ছিলেন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
এদিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন, সুশাসন এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ জনপ্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে আগ্রহী তারা। ফলে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক আলোচনা ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে জল্পনা-কল্পনা।
সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪ নং উত্তর বড়দল ইউনিয়নে প্রবীণ রাজনীতিবিদ হাজী মোঃ নজরুল ইসলাম শাহকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন কি না এবং ভোটারদের আস্থা কতটা অর্জন করতে পারেন।