কক্সবাজার বিমানবন্দরে ঢাকা-গামী নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটে যাত্রার প্রস্তুতিকালে জেসমিন আক্তার নামে এক নারী যাত্রীকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির অংশ হিসেবে যাত্রীদের লাগেজ স্ক্যানিং চলাকালে জেসমিন আক্তারের বহন করা একটি ল্যাপটপ ব্যাগ সন্দেহজনক মনে হলে নিরাপত্তা কর্মীরা সেটি পুনরায় পরীক্ষা করেন। পরে ব্যাগটির ভেতরে থাকা শকপ্রুফ ফোমের মধ্যে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৯ হাজার ৮২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ইয়াবা উদ্ধারের পরপরই সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জেসমিন আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট এলাকার চাঁদপুর শ্বেতছড়া গ্রামের বাসিন্দা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার প্রকৃত উৎস, সম্ভাব্য গন্তব্য এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি বা চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে জড়িত কর্মকর্তারা বলেন, মাদক পাচারের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বিশেষ সুবিধা পাবে না। নারী কিংবা পুরুষ—আইনের চোখে সবাই সমান। মাদক ব্যবসা ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বদ্ধপরিকর।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, কক্সবাজারকে ব্যবহার করে মাদক পাচারের নানা কৌশল অবলম্বন করছে সংঘবদ্ধ চক্রগুলো। তবে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে এই চালানটি আটক হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা ও দক্ষতা আবারও প্রমাণিত হয়েছে।