আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন, ধর্মপাশা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি, ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সম্মানিত সদস্য, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব,বর্তমান ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির স্বাক্ষর ক্ষমতা প্রাপ্ত ১ নং যুগ্ন - আহবায়ক, মজলুম কারা নির্যাতিত নেতা মোঃ আব্দুল হক।
তিনি ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের টানমেউহারী গ্রামের মৃত, সিরাজুল ইসলামের সুযোগ্য সন্তান। পাইকুরাটি, সেলবরষ, ধর্মপাশা সদর, জয়শ্রী,সুখাইর রাজাপুর উত্তর ও সুখাইর রাজাপুর দক্ষিণ এই ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়েছে।
ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আব্দুল হক বলেন, আমি ১৯৮৬ ইংরেজি সন হইতে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যোগ দিয়ে আজ পর্যন্ত বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ড করে আসছি। ২০২৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীতা ঘোষণা করেছিলাম, পরে দলের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তে নিজের প্রার্থীতা বর্জন করি। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ৩ টি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ৯২ দিন কারা বরন করেছি। তাছাড়া বাজার, মসজিদ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছি। দলের দূরদিনে তারুণ্যের অহংকার বিএনপির চেয়ারপার্সন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে বেনগার্ড হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছি। আগামী দিনে সুনামগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল সাহেবের নেতৃত্বে ধর্মপাশা উপজেলা কে মাদক,জুয়া, চোরাকারবারি, সন্ত্রাস মুক্ত করে , শিক্ষা, স্ব্যাস্থ সেবা ও বাসস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে ধর্মপাশা উপজেলা কে একটি মডেল উপজেলায় রুপান্তরিত করতে চাই। সেইজন্য তৃনমুল বিএনপি ও উপজেলার সর্বস্থরের মানুষের দোয়া ভালবাসা ও সমথর্ন চাই।