'বিসমিল্লাহই গলদ'— শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নে এনজিও সিএনএস (CNS) কর্তৃক বিতরিত অনুদান কার্যক্রমের চিত্রটি ঠিক এমনই। অসহায় মানুষের হক আদায়ের কথা থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, এই তালিকার প্রায় ৯০ শতাংশই দখল করে নিয়েছে জন প্রতিনিধিদের আত্মীয়-স্বজনরা। বাকি তালিকার মধ্যেও ৫ শতাংশ ভুয়া এবং মাত্র ৫ শতাংশ সঠিক ব্যক্তি স্থান পেয়েছেন বলে দাবি স্থানীয়দের। এবিষয়ে আটগাঁও ইউপি'র চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নোমানকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে উনি ফোন রিসিভ করেননি।
অনিয়মের পাহাড় ও এনজিওর দায়সারা বক্তব্য
তৃণমূল পর্যায়ে এনজিওটির মাঠকর্মীরা যখন এই তালিকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ছেন, তখন তাদের উত্তরে বেরিয়ে আসছে চরম দায়িত্বহীনতা। একজন এনজিও কর্মীকে এই ত্রুটিপূর্ণ তালিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, মেম্বার এবং চেয়ারম্যান যদি ভুল তালিকা জমা দেন, তবে আমাদের কিছু করার নেই। আমরা কেবল তালিকা অনুযায়ী কাজ করছি।
এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, সঠিক যাচাই-বাছাই (Verification) ছাড়াই এনজিওটি প্রভাবশালীদের দেওয়া তালিকা চোখ বুজে গ্রহণ করেছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থান
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হলে মুখ খুলেছেন শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিয়াস চন্দ্র দাস।তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো অবস্থাতেই ভুল তথ্য দিয়ে তৈরি করা তালিকা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন:
> "ভুল তথ্য দিয়ে তৈরি কোনো তালিকা সঠিক হতে পারে না। আমি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হবে যাতে অনতিবিলম্বে প্রকৃত অভাবীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে তালিকাটি সংশোধন করা হয়।