নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম নগরীর জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় ‘এখন টিভি’র চট্টগ্রাম অফিস প্রধান সাংবাদিক হোসাইন জিয়াদ এবং ক্যামেরাপার্সন পারভেজ রহমানের ওপর সংঘটিত বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাংবাদিক নির্যাতন-প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ।সেলের প্রধান সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কেবল ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি মুক্ত সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। সাংবাদিকরা জনগণের পক্ষে কথা বলেন এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন—তাদের ওপর এ ধরনের অপতৎপরতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, হামলার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক, যেন তারা ভয়হীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।সাংবাদিক নির্যাতন-প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ এই ঘটনাকে দেশের সাংবাদিক সমাজের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে দেখছে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।
প্রকাশিত : রবিবার , ৫ অক্টোবর ২০২৫ , বিকাল ০৩:৪০।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহঃস্পতিবার , ১৬ এপ্রিল ২০২৬ , বিকাল ০৩:০৬
সাংবাদিক হোসাইন জিয়াদ ও পারভেজ রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় সাংবাদিক নির্যাতন-প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম নগরীর জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় ‘এখন টিভি’র চট্টগ্রাম অফিস প্রধান সাংবাদিক হোসাইন জিয়াদ এবং ক্যামেরাপার্সন পারভেজ রহমানের ওপর সংঘটিত বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাংবাদিক নির্যাতন-প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ।সেলের প্রধান সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কেবল ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি মুক্ত সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। সাংবাদিকরা জনগণের পক্ষে কথা বলেন এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন—তাদের ওপর এ ধরনের অপতৎপরতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, হামলার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক, যেন তারা ভয়হীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।সাংবাদিক নির্যাতন-প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ এই ঘটনাকে দেশের সাংবাদিক সমাজের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে দেখছে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।