প্রকাশিত : বুধবার , ৮ অক্টোবর ২০২৫ , সন্ধ্যা ০৬:৫৬।। প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহঃস্পতিবার , ১৬ এপ্রিল ২০২৬ , রাত ০১:৩৯

জামালপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে জনসাধারণের মাঝে লিফলেট বিতরণ


হাসান আহাম্মেদ সুজন, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি। গণতান্ত্রিক -মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কর্তৃক দেশবাসীর কাছে উপস্থাপিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জনসম্পৃক্ততা তৈরির লক্ষ্যে জামালপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ করা হয়। ৭ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় ফৌজদারী মোড় থেকে শুরু করে শহরের প্রধান সড়কের দু'ধারে বিভিন্ন ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও পথচারী জনসাধারণ মানুষের মাঝে এই লিফলেট বিতরণ করে বকুল তলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। লিফলেট বিতরণে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন। লিফলেট বিতরণের কর্মসূচিতে এসময় জামালপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি লোকমান আহমেদ খান লোটন, সহ সভাপতি মোঃ লিয়াকত আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার  আহসানুজ্জামান রুমেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন পল্টন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীব, আরিফ হোসেন বাহাজ,শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ,সিনিয়র সহ-সভাপতি  মোঃ মাইন উদ্দিন বাবুল, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজভী আল জামালী রঞ্জু, সহ  ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ গোলাম রব্বানী উপদেষ্টা মোঃ জিল্লুর রহমান তরফদার রিপন, ,জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ মোঃ আব্দুস সোবহান,,সাধারণ সমপাদক জীবন কৃষ্ণ বসাক, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক মাজেদুল ইসলাম সাত্তার, সদস্য সচিব মোঃ গাউছুল আজম শাহীন, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাদত হোসেন বাবুল, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম কর্ণেল,শহর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুর রহমান শহীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মমিনুর রহমান মমিন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নুরুল মোমেন আকন্দ কাওছার, সদস্য সচিব মঞ্জুরুল করিম সুমন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন,জেলা যুবদলের সদস্য আবু আশিক মল্লিক বাবু,,আশরাফ হোসেন, শাহিনুর রহমান শাহীন মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোস্তফা কামাল, আতিকুর রহমান লিটন, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ,আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ জামালপুর জেলা শাখার  সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাকিম মুসকুরী ময়না,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান সুমিল সহ বিএনপি ও অঙ্গ  অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের বিএনপি'র ৩১ দফা নিন্মে তুলে ধরা হলোঃ-১. জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন।২. সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্রসত্ত্বা (Rainbow-Nation) ও 'জাতীয় সমন্বয় কমিশন ('National Reconciliation commission') গঠন।৩. অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন।8. আইনসভা, মন্ত্রীসভা, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিচার বিভাগের মাঝে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা।৫. প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময়সীমা অনুর্ধ্ব পরপর দুই মেয়াদ নির্ধারণ।৬. বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে আইন সভায় উচ্চকক্ষের প্রবর্তন।৭. সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন।৮. নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি সংশোধন।৯. স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরনে সকল রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন ও শক্তিশালীকরন।১০. বর্তমান বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য জুডিশিয়াল কমিশন গঠন, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রবর্তন ও সংবিধানের আলোকে বিচারপতি নিয়োগ আইন প্রণয়ন।১১. গণমুখী ও জনকল্যাণমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন গঠন।১২. মিডিয়া কমিশন গঠন করে তথ্য ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ।১৩. দূর্নীতি প্রতিরোধে দৃশ্যমান কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও ন্যায়পাল নিয়োগ।১৪. সর্বস্তরে আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা।১৫. আত্মনির্ভরশীল জাতীয় অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন গঠন।১৬. ধর্মীয় স্বাধীনতার সর্বোচ্চ ও কার্যকর নিশ্চয়তা প্রদান।১৭. মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের হ্রাস-বৃদ্ধির আলোকে শ্রমজীবি মানুষের ন্যায্য মজুরী নিশ্চিত করা।১৮. প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ এবং নবায়নযোগ্য ও মিশ্র জ্বালানী ব্যবহারে অগ্রাধিকার দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ খাত আধুনিকায়ন।১৯. জাতীয় স্বার্থের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করে বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়ন।২০. প্রতিরক্ষা বাহিনীর অধিকতর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা।২১. প্রশাসন ও সেবা বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলি স্বশাসিত ও ক্ষমতাবান করা।২২. শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও স্বীকৃতি প্রদান। ২৩. কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী যুব উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও বেকার ভাতা প্রবর্তন।২৪. নারীর মর্যাদা সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ।২৫. চাহিদা ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম শিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা।২৬. "সবার জন্য স্বাস্থ্য" এবং "সার্বজনীন চিকিৎসা"ব্যবস্থাকার্যকর করা। প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষিত নারী ও পুরুষ পল্লী স্বাস্থ্যকর্মীর ব্যবস্থা করা এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণা সুবিধা নিশ্চিত করা।২৭. কৃষকের উৎপাদন ও বিপণন সুরক্ষা দিয়ে কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।২৮. সড়ক, রেল, নৌ পথের আধুনিকায়ন ও বহুমাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা।২৯. জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং নদী শাসন ও খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা।৩০. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং আণবিক শক্তির উন্নয়ন ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা।৩১. যুগোপযোগী, পরিকল্পিত, পরিবেশ বান্ধব আবাসন এবং নগরায়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।