স্টাফ রিপোর্টার,শফিকুল ইসলাম শফিক,সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক প্রতারণার ঘটনা। জানা গেছে, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা আতাবুর রহমানের ছেলে মোঃ সালেক আহমেদ, প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তানের জনক হয়েও আবারও বিয়ে করেছেন মধ্যনগর উপজেলার উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের হোসেনপুর গ্রামের আব্দুল মালেক এর প্রতিবন্ধী মেয়ে রুবি আক্তারকে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের সময় সালেক আহমেদ নিজেকে অবিবাহিত বলে পরিচয় দেন। তিনি রুবি আক্তারকে জানান, তার আগে কোনো বিয়ে হয়নি এবং সন্তানও নেই। রুবি আক্তার বিষয়টি বিশ্বাস করে তিন লাখ টাকা কাবিনে তাকে বিয়ে করেন। এরপর তারা প্রায় দুই মাস সংসার করেন।কিন্তু কিছুদিন পরই জানা যায়— সালেক আহমেদ এর প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে রুবি আক্তার হতভম্ব হয়ে পড়েন।গত ১০ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে, সালেক আহমেদ প্রথম স্ত্রী সুজিনা আক্তার হঠাৎ হোসেনপুর গ্রামে এসে সালেককে নিজের স্বামী বলে দাবি করেন। এ সময় তিনি বলেন, আমি আমার স্বামীকে চাই, সে আমার কাছেই থাকবে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মানুষজন বিষয়টি দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।প্রতিবন্ধী রুবি আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, আমি একজন অসহায় মেয়ে। আমার বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। আমি সালেক আহমেদ-কে বিশ্বাস করে বিয়ে করেছি। সে আমাকে প্রতারণা করেছে, কিন্তু আমি এখনো চাই সে আমার সঙ্গে সংসার করুক।অন্যদিকে সালেক আহমেদ বলেন, আমি রুবিকে নিয়ে সংসার করতে চাই। আগের বউকে আমি ছেড়ে দেবো। তার কাছ থেকে সবসময় কষ্ট আর লাঞ্ছনা ছাড়া কিছু পাইনি। রুবি পঙ্গু হলেও আমি তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি, তাকে আমি ছেড়ে যাবো না।ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
প্রকাশিত : শনিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৫ , সন্ধ্যা ০৭:১৭।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার , ৩ মার্চ ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৭:৩৯
মধ্যনগরে প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তান থাকার পরও অবিবাহিত পরিচয়ে প্রতিবন্ধী মেয়েকে বিয়ে, এলাকায় চাঞ্চল্য
স্টাফ রিপোর্টার,শফিকুল ইসলাম শফিক,সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক প্রতারণার ঘটনা। জানা গেছে, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা আতাবুর রহমানের ছেলে মোঃ সালেক আহমেদ, প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তানের জনক হয়েও আবারও বিয়ে করেছেন মধ্যনগর উপজেলার উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের হোসেনপুর গ্রামের আব্দুল মালেক এর প্রতিবন্ধী মেয়ে রুবি আক্তারকে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের সময় সালেক আহমেদ নিজেকে অবিবাহিত বলে পরিচয় দেন। তিনি রুবি আক্তারকে জানান, তার আগে কোনো বিয়ে হয়নি এবং সন্তানও নেই। রুবি আক্তার বিষয়টি বিশ্বাস করে তিন লাখ টাকা কাবিনে তাকে বিয়ে করেন। এরপর তারা প্রায় দুই মাস সংসার করেন।কিন্তু কিছুদিন পরই জানা যায়— সালেক আহমেদ এর প্রথম স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে রুবি আক্তার হতভম্ব হয়ে পড়েন।গত ১০ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে, সালেক আহমেদ প্রথম স্ত্রী সুজিনা আক্তার হঠাৎ হোসেনপুর গ্রামে এসে সালেককে নিজের স্বামী বলে দাবি করেন। এ সময় তিনি বলেন, আমি আমার স্বামীকে চাই, সে আমার কাছেই থাকবে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মানুষজন বিষয়টি দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।প্রতিবন্ধী রুবি আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, আমি একজন অসহায় মেয়ে। আমার বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। আমি সালেক আহমেদ-কে বিশ্বাস করে বিয়ে করেছি। সে আমাকে প্রতারণা করেছে, কিন্তু আমি এখনো চাই সে আমার সঙ্গে সংসার করুক।অন্যদিকে সালেক আহমেদ বলেন, আমি রুবিকে নিয়ে সংসার করতে চাই। আগের বউকে আমি ছেড়ে দেবো। তার কাছ থেকে সবসময় কষ্ট আর লাঞ্ছনা ছাড়া কিছু পাইনি। রুবি পঙ্গু হলেও আমি তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি, তাকে আমি ছেড়ে যাবো না।ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।