আশিকুল ইসলাম, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের দেলুয়াকান্দি গ্রামে ম্যাসলাইট চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মেধাবী তরুণ আবু হুরাইরা (মিজান) হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।রবিবার (১২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় দেলুয়াকান্দি গ্রামবাসীর আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিলটি দেলুয়াকান্দি গ্রামের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেলকুচি উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। এসময় শত শত নারী-পুরুষ “খুনিদের ফাঁসি চাই”, “হত্যাকারীদের গ্রেফতার করো” ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন এলাকা।মিছিলে উপস্থিত ছিলেন—আব্দুল সালাম মন্ডল, ফজল সরকার, মাসুদ রানা, আবুল বাশার, আলতাফ হোসেন, আলমগীর, হাফিজুর, শহিদুল মির, জাকারিয়া, সাহের আহমেদ রাব্বি, খোরশেদ, রেজাউল, মোঃ নাবী শেখ, মোছাঃ রেবেকা সুলতানাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অসংখ্য গ্রামবাসী।পরবর্তীতে গ্রামবাসীর একটি প্রতিনিধি দল বেলকুচি থানায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের নিকট পৃথকভাবে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এতে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির দাবি জানানো হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবু হুরাইরা (মিজান) (২২) মৃত আমজাদ শেখের পুত্র। তিনি ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দেলুয়াকান্দি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন।ঘটনাটি ঘটে গত ৮ অক্টোবর (বুধবার) বাদ মাগরিবের সময়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিজান ও তার বন্ধু মাসুদ দোকানের সামনে অবস্থানকালে পাশ্ববর্তী উত্তর চন্দনগাতি গ্রামের সাব্বির ও নাহিদ নামের দুই যুবকের কাছে ম্যাসলাইট (লাইটার) চায়। তারা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে সাব্বির হাতুড়ি দিয়ে মিজানের মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় নাহিদ হোসেন মাসুদকেও মারধর করে আহত করেন।গুরুতর আহত অবস্থায় মিজানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসীর দাবি, মিজান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, যার কারণে প্রতিপক্ষরা ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে।গ্রামবাসীর ভাষ্যে— “আমাদের গ্রামের এই মেধাবী ছেলেটি মাদকবিরোধী আন্দোলনে ছিল, তাই সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানাই।”বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে এলাকাবাসী প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ন্যায়বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রকাশিত : রবিবার , ১২ অক্টোবর ২০২৫ , সন্ধ্যা ০৭:২৭।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহঃস্পতিবার , ১২ মার্চ ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৭:০১
বেলকুচির দেলুয়াকান্দিতে ম্যাসলাইট চাওয়াকে কেন্দ্র করে মেধাবী তরুণ মিজান হত্যা — হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান
আশিকুল ইসলাম, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের দেলুয়াকান্দি গ্রামে ম্যাসলাইট চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মেধাবী তরুণ আবু হুরাইরা (মিজান) হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।রবিবার (১২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় দেলুয়াকান্দি গ্রামবাসীর আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিলটি দেলুয়াকান্দি গ্রামের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেলকুচি উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। এসময় শত শত নারী-পুরুষ “খুনিদের ফাঁসি চাই”, “হত্যাকারীদের গ্রেফতার করো” ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন এলাকা।মিছিলে উপস্থিত ছিলেন—আব্দুল সালাম মন্ডল, ফজল সরকার, মাসুদ রানা, আবুল বাশার, আলতাফ হোসেন, আলমগীর, হাফিজুর, শহিদুল মির, জাকারিয়া, সাহের আহমেদ রাব্বি, খোরশেদ, রেজাউল, মোঃ নাবী শেখ, মোছাঃ রেবেকা সুলতানাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অসংখ্য গ্রামবাসী।পরবর্তীতে গ্রামবাসীর একটি প্রতিনিধি দল বেলকুচি থানায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের নিকট পৃথকভাবে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এতে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির দাবি জানানো হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবু হুরাইরা (মিজান) (২২) মৃত আমজাদ শেখের পুত্র। তিনি ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দেলুয়াকান্দি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন।ঘটনাটি ঘটে গত ৮ অক্টোবর (বুধবার) বাদ মাগরিবের সময়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিজান ও তার বন্ধু মাসুদ দোকানের সামনে অবস্থানকালে পাশ্ববর্তী উত্তর চন্দনগাতি গ্রামের সাব্বির ও নাহিদ নামের দুই যুবকের কাছে ম্যাসলাইট (লাইটার) চায়। তারা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে সাব্বির হাতুড়ি দিয়ে মিজানের মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় নাহিদ হোসেন মাসুদকেও মারধর করে আহত করেন।গুরুতর আহত অবস্থায় মিজানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসীর দাবি, মিজান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, যার কারণে প্রতিপক্ষরা ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে।গ্রামবাসীর ভাষ্যে— “আমাদের গ্রামের এই মেধাবী ছেলেটি মাদকবিরোধী আন্দোলনে ছিল, তাই সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানাই।”বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে এলাকাবাসী প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ন্যায়বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন।