ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় ১০ পিচ ইয়াবা টেবলেট সহ তরিকুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবককে ও ওয়ারেন্ট ভোক্ত পলাতক আসামি মাসুদ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে ধর্মপাশা থানা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া তরিকুল ইসলাম ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের নলগড়া গ্রামের আব্দুস সালাম এর ছেলে।শুক্রবার রাত ৮ টার সময় নলগড়া গ্রামের জহর মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে ইয়াবা টেবলেট বিক্রয় করার সময় তরিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া তরিকুল ইসলামের পাশের বাড়িতে ভাড়া থাকে পুলিশের সোর্স আবুল কালাম। থানার বিভিন্ন এস আাই ও এএস আই এর নাম ভাঙ্গিয়ে অভয় দেখিয়ে তরিকুলকে দিয়ে মাদক ব্যবসা শুরু করে আবুল কালাম । সোর্স আবুল কালাম ও তরিকুল দুজনেই মাদক বিক্রি করে আসছিল। কিন্তু মাদকের চালান নিয়ে আসা এবং সকল ঝামেলা মিটমাট করার দায়িত্বে ছিল সোর্স আবুল কালাম। মূলত ধর্মপাশা উপজেলার মাদক ব্যবসার মূল হোতা সোর্স আবুল কালাম। নাম প্রকাশ না করার শর্তে নলগড়া গ্রামের কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, আবুল কালাম এ গ্রামে আসার পর থেকেই মদ,গাঁজা ও ইয়াবা ব্যাবসা শুরু হয়েছে। তার সাথে রাত দিন বহিরাগত লোকজন সাক্ষাৎ করতে আসে।ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, তরিকুল ইসলামকে ১০ পিচ ইয়াবা টেবলেট সহ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য দিকে ওয়ারেন্ট ভোক্ত পলাতক আসামি মাসুদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে মাদক ব্যবসায় জড়িত সন্দেহে পুলিশের সোর্স আবুল কালামকে খোঁজছে পুলিশ। ## এম এম এ রেজা পহেল
প্রকাশিত : শনিবার , ১ নভেম্বর ২০২৫ , বিকাল ০৫:৪০।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার , ১৪ মার্চ ২০২৬ , দুপুর ১২:৫৫
ধর্মপাশায় ইয়াবা সহ যুবক ও ওয়ারেন্ট ভোক্ত আসামি গ্রেফতার
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় ১০ পিচ ইয়াবা টেবলেট সহ তরিকুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবককে ও ওয়ারেন্ট ভোক্ত পলাতক আসামি মাসুদ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে ধর্মপাশা থানা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া তরিকুল ইসলাম ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের নলগড়া গ্রামের আব্দুস সালাম এর ছেলে।শুক্রবার রাত ৮ টার সময় নলগড়া গ্রামের জহর মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে ইয়াবা টেবলেট বিক্রয় করার সময় তরিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া তরিকুল ইসলামের পাশের বাড়িতে ভাড়া থাকে পুলিশের সোর্স আবুল কালাম। থানার বিভিন্ন এস আাই ও এএস আই এর নাম ভাঙ্গিয়ে অভয় দেখিয়ে তরিকুলকে দিয়ে মাদক ব্যবসা শুরু করে আবুল কালাম । সোর্স আবুল কালাম ও তরিকুল দুজনেই মাদক বিক্রি করে আসছিল। কিন্তু মাদকের চালান নিয়ে আসা এবং সকল ঝামেলা মিটমাট করার দায়িত্বে ছিল সোর্স আবুল কালাম। মূলত ধর্মপাশা উপজেলার মাদক ব্যবসার মূল হোতা সোর্স আবুল কালাম। নাম প্রকাশ না করার শর্তে নলগড়া গ্রামের কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, আবুল কালাম এ গ্রামে আসার পর থেকেই মদ,গাঁজা ও ইয়াবা ব্যাবসা শুরু হয়েছে। তার সাথে রাত দিন বহিরাগত লোকজন সাক্ষাৎ করতে আসে।ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, তরিকুল ইসলামকে ১০ পিচ ইয়াবা টেবলেট সহ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য দিকে ওয়ারেন্ট ভোক্ত পলাতক আসামি মাসুদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে মাদক ব্যবসায় জড়িত সন্দেহে পুলিশের সোর্স আবুল কালামকে খোঁজছে পুলিশ। ## এম এম এ রেজা পহেল