প্রকাশিত : মঙ্গলবার , ৪ নভেম্বর ২০২৫ , বিকাল ০৫:৪৭।। প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার , ৩ মার্চ ২০২৬ , বিকাল ০৩:৫৯

সুনামগঞ্জে সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের আসবাবপত্র হস্তান্তরে বাঁধা।


সুনামগঞ্জ সদর প্রতিনিধি, শফিকুল বারীসুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ নং সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল আসবাবপত্র ও মালামাল হস্তান্তরের ঘটনায় ইউপি সদস্যা ও পুলিশের সাথে দস্তাদস্তির ঘটনা ঘটেছে।বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান আমীর হোসেন রেজার ভাতিজা শিহাব ও তার আত্মীয় স্বজনরা।সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইব্রাহিমপুর গ্রামের অস্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানান,সুনামগঞ্জ সদর থানায় একাধিক মামলায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা ও বরখাস্তকৃত ইউপি চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজার ব্যক্তিগত হেফাজতে থাকা পরিষদের আসবাবপত্র বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খুরশিদ মিয়ার কাছে হস্তান্তরের জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা জেরীন নির্দেশ দেন।কিন্তু বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজা অফিসের আসবাবপত্র দেই দিচ্ছি করে সময় ক্ষেপন করার একপর্যায়ে বিজ্ঞ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে চলে যান।ঘটনার দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্বাহী আদেশে এসআই রাশেদ এর নেতৃত্বে সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানান্তরকৃত আসবাবপত্রের একটি তালিকা প্রস্তুত করেন। এসময় বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যানের পক্ষ নিয়ে তার ভাতিজা তাজুয়ার আফজাল (শিহাব) তার আত্মীয় স্বজনরা ইউপি অফিস তালাবদ্ধ করে মালামাল হস্তান্তরে বাঁধা দেয়।এবং সংরক্ষিত ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্যা মোছাঃ তানজিনা বেগমের স্মার্টফোন কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে। এ ঘটনায় পুলিশ শিহাবকে আটক করে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে বিদেশে থেকে মোবাইল ফোনে আমির হোসেন রেজা পুলিশ দলের উপর হামলা করার জন্য তার গোত্রীয় লোকজনকে নির্দেশ দেন। পরিস্থিতির অবনতির সংবাদ পেয়ে সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আরিফ উল্লাহ,এসআই মাহমুদুল ও এসআই অভিজিৎসহ আরেকদল পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান।পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যরা তাকে গ্রেফতারের জন্য তার বাড়ীতে অভিযান চালালে সে পালিয়ে যায়। পরিষদের সদস্যরা জানান,পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় আমরা পরিষদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র হালুয়ারঘাট অফিসে নিয়ে আসতে পেরেছি।অনেক মূল্যবান মালামাল বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যানের হেফাজতে রয়েছে।অপর দিকে বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যানের বাতিজা শিহাব বলেন, আমি সরকারি মালামাল হস্তান্তরে কেন বাঁধা দেব তাদের মালামাল তারা নিয়ে যাক, তাতে আমার সমস্যা নেই তবে যে পরিষদে তারা এতো দিন অফিস করেছে সেটা আমার ব্যাক্তিমালিকানাদিন ঘর তাদের কাছে আমি অফিস ভাড়া দিয়েছিলাম, কিন্তু পাঁচ ছয় মাসের ভাড়া আমি পাইনি হঠাৎ তারা এসেছেন অফিসের মালামাল নেওয়ার জন্য,কিন্তু আমার অনেক মাসের ঘর ভাড়া আটকানো, তাই তাদেরকে বলেছি আমার ঘর ভাড়া পরিশোধ করে তাদের মালামাল নিয়ে যাক সেই জন্য আমি বাঁধা দেই।  ঘটনার ব্যাপারে মোঠো ফোনে জানতে চাইলে সদর থানার ওসি মোঃ আবুল কালাম বলেন,পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে যেই হউকনা কেন তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।