ফয়সাল আজম অপু, নিজস্ব প্রতিবেদকঃচাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও নিষিদ্ধ খোলা লবণ ব্যবহারের দায়ে দুটি রেস্তোরাঁকে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১ মার্চ) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম।অভিযান চলাকালে শহরের শান্তি মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘ওসমান হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট’-এ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশনের প্রমাণ পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে বিশ্বরোড মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘তামান্না সুইট এন্ড রেস্টুরেন্ট’-কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।জরিমানার পাশাপাশি বিশ্বরোড এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও ফলের দোকান পরিদর্শন করেন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম। এ সময় খাবারের গুণমান রক্ষায় ক্ষতিকর খোলা লবণ ব্যবহার না করার জন্য ব্যবসায়ীদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়। যারা বর্তমানে খোলা লবণ ব্যবহার করছেন, তাদের লাস্ট ওয়ার্নিং বা চূড়ান্ত সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়। পরবর্তী অভিযানে প্যাকেটজাত নামি কোম্পানির আয়োডিনযুক্ত লবণ না পাওয়া গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত এই ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে হোটেল-রেস্তোরাঁয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক উপকরণ নিশ্চিত করতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর (RAB) সদস্যরা সহযোগিতা করেন। আকস্মিক এই অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিলেও নিয়ম অমান্যকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রকাশিত : সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , সকাল ১০:৫৩।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার , ৪ মার্চ ২০২৬ , বিকাল ০৫:৩৭
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুটি রেস্তোরাঁয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা
ফয়সাল আজম অপু, নিজস্ব প্রতিবেদকঃচাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও নিষিদ্ধ খোলা লবণ ব্যবহারের দায়ে দুটি রেস্তোরাঁকে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১ মার্চ) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম।অভিযান চলাকালে শহরের শান্তি মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘ওসমান হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট’-এ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশনের প্রমাণ পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে বিশ্বরোড মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘তামান্না সুইট এন্ড রেস্টুরেন্ট’-কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।জরিমানার পাশাপাশি বিশ্বরোড এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও ফলের দোকান পরিদর্শন করেন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম। এ সময় খাবারের গুণমান রক্ষায় ক্ষতিকর খোলা লবণ ব্যবহার না করার জন্য ব্যবসায়ীদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়। যারা বর্তমানে খোলা লবণ ব্যবহার করছেন, তাদের লাস্ট ওয়ার্নিং বা চূড়ান্ত সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়। পরবর্তী অভিযানে প্যাকেটজাত নামি কোম্পানির আয়োডিনযুক্ত লবণ না পাওয়া গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত এই ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে হোটেল-রেস্তোরাঁয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক উপকরণ নিশ্চিত করতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর (RAB) সদস্যরা সহযোগিতা করেন। আকস্মিক এই অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিলেও নিয়ম অমান্যকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।