ফয়সাল আজম অপু, নিজস্ব প্রতিবেদকঃচাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের হাম আইসোলেশন কর্নারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।মৃত শিশুটি দেড় বছর বয়সী লামিয়া খাতুন। সে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামের মো. রনির মেয়ে। জানা গেছে, মৃত্যুর মাত্র আধা ঘণ্টা আগে তীব্র শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হাম আইসোলেশন কর্নারে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। তবে স্থানান্তরের আগেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির শরীরে জ্বর, তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং বিভিন্ন স্থানে দাগসহ হামের একাধিক উপসর্গ ছিল। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত বলা যাচ্ছে না বলে জানান জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মোসফিকুর রহমান।তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে আনার পরপরই শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়, কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পরিবারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তাদের সেই সামর্থ্য ছিল না।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৭০২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৯ জন এবং ছাড়পত্র নিয়েছেন ৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১০৩ জন।
প্রকাশিত : বুধবার , ১৫ এপ্রিল ২০২৬ , বিকাল ০৫:৩৯।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার , ২৪ এপ্রিল ২০২৬ , বিকাল ০৩:৪৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে লামিয়া নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু
ফয়সাল আজম অপু, নিজস্ব প্রতিবেদকঃচাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের হাম আইসোলেশন কর্নারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।মৃত শিশুটি দেড় বছর বয়সী লামিয়া খাতুন। সে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামের মো. রনির মেয়ে। জানা গেছে, মৃত্যুর মাত্র আধা ঘণ্টা আগে তীব্র শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হাম আইসোলেশন কর্নারে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। তবে স্থানান্তরের আগেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির শরীরে জ্বর, তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং বিভিন্ন স্থানে দাগসহ হামের একাধিক উপসর্গ ছিল। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত বলা যাচ্ছে না বলে জানান জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মোসফিকুর রহমান।তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে আনার পরপরই শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়, কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পরিবারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তাদের সেই সামর্থ্য ছিল না।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৭০২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩৯ জন এবং ছাড়পত্র নিয়েছেন ৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১০৩ জন।