ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
মোঃ সোহাগ বিশেষ প্রতিনিধি
সদর উপজেলার পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকার সৈয়দ মোঃ জাজরিস ইসলাম (৫৭) তার স্ত্রী মোছা. রুমা (৩৫) বেগমের বিরুদ্ধে প্রতারণা, পরকীয়া সম্পর্ক এবং টাকার আত্মসাতের অভিযোগে পটুয়াখালীর বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে অভিযোগ।
অভিযোগে বলা হয়,প্রবাসী সৈয়দ মোঃ জারিজুল ইসলাম ২০১১ সালে রুমা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিবাহের পর প্রথমদিকে সংসার স্বাভাবিক থাকলেও ধীরে ধীরে স্ত্রী রুমা বেগম স্বামীর সঙ্গে অশান্তি সৃষ্টি করতে থাকেন, প্রায় সময় বাহিরে যাতায়াত করলে আমি তাকে বাধা প্রদান ও সংসোধনের চেষ্টা করেন এবং কি তাকে নিয়ে শেহরের সেঁতারা ক্লিনিক সংলগ্ন ভাডা বাসায় নিয়ে যাবতীয় বরনপোষণ দিয়ে আসার পর ২০১৭ সালে চাকরীর সুবাতে আবার দেশের বাহিরে সৌদি আরব চলে যাওয়ার পর ইসলামি ব্যাংক পটুয়াখালী শাখায় ২০৫০১৯২০২০২৮৫৬৩০৫ নম্বরের মাধ্যমে ভিন্নি সময় নানান অযুহাতে এবং জমি ক্রয়য়ের জন্য প্রায় এগারো লাখ টাকা পাঠান এবং কি স্ত্রী রুমা বেগমের টিউমারের মিথ্যা অযুহাতে স্বামীর কাছ থেকে কয়েক দফায় মোটা অঙ্কের টাকা গ্রহণ করেন। পরে বিদেশ থেকে ২০২৩ সালে দেশে আসলে আরোও ১০ লাখ টাকা এফডিআর করার কথা বলে বিভিন্ন সময় সংসার ত্যাগ সহ প্রাণ নাশের হুমকি দিয়া আসে এবং চুপে চুপে আস্তে আস্তে বাসার মালামাল সরাতে থাকে এক পর্যাময় স্বামী বাসায় না থাকা কালীন স্বামী মোঃ জাজরিস ইসলামের চিকিৎসার জন্য তিন লাক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও স্ত্রী রুমাবেগম কে দেয়া আট ভরি স্বর্ন ,ইসলামী ব্যাংকের মূল চেক বই ২০৫০১৯২০২০০৬৭২৬০৩ নং আট পাতা চেক বই যার একান্ট নম্বার (এইচ ৩৯৪) সহ ১২ লাখ টাকা মূল্যে কাগজ পত্র নিয়ে বাসায় তালা দিয়ে না বলে চলে যায়। এতে করে প্রথমে স্ত্রী রমা বেগমের পরিবার ও বিভিন্ন লোক এবং শালিশদের বিষয়টি জানালে স্ত্রী রুমা বেগম তাতে কোনো প্রতি উত্তর না দিয়ে উল্ট স্বামী মোঃ জাজরিস ইসলামের বিরুদ্ধে ১৫/১০/২০২৩ এম.পি ৪৫৬/২০২৩ নালিশী করেন বলে জানান ভোক্ত ভোগী প্রবাসী মোঃ জাজরিস ইসলাম ।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে রুমা বেগম বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি স্বামীর অজান্তে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং সংসার ত্যাগ করে পিত্রালয়ে চলে যান।
ভুক্তভোগী প্রবাসী সৈয়দ মোঃ জাজরিস ইসলাম বলেন,“আমি স্ত্রীকে ভালোবেসে সংসার করছিলাম, কিন্তু সে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আমার কাছ থেকে কষ্টার্জিত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন সে আমার সঙ্গে সংসার করতে অস্বীকার করছে।”অভিযোগের সঙ্গে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের রশিদ, ব্যাংক চেক নম্বর, সাক্ষীদের বিবরণ ও পূর্ববর্তী পারিবারিক বিরোধের প্রমাণ সংযুক্ত জমা করেছেন বলে তিনি জানান । বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। ভুক্তভোগী ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।