সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ততয়বুর রহমানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, উস্কানিমূলক বক্তব্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার সচেতন নাগরিক, আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগটি মেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘদিন ধরে ইসলামি শিক্ষা, আলেম সমাজ এবং মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে আসছেন। এসব পোস্টের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হচ্ছে এবং সামাজিক বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, কিছু পোস্টে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে সাধারণীকরণ করে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের প্রতি কটূক্তিমূলক ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, একজন শিক্ষক হিসেবে তার কাছ থেকে সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত হলেও তিনি উল্টো উগ্র বক্তব্যের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন।
তারা অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি চাকরিজীবীদের আচরণবিধি ও সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইনের পরিপন্থী হতে পারে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন