শেরপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ের রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং শিক্ষা পদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, জেলা ক্রীড়া অফিসার, বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টের কোচ, পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদদের অভিভাবকরা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ইভেন্টে কৃতিত্ব অর্জনকারী শেরপুরের ক্রীড়াবিদরা এর আগে ২৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। জাতীয় পর্যায়ে এমন সাফল্য অর্জন করায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, শেরপুরের কিশোর-কিশোরীদের এ ধরনের সাফল্য জেলার অন্য শিক্ষার্থী ও তরুণদের ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও উৎসাহিত করবে। খেলাধুলার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে মাদক, অপরাধ ও নানা ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ-সুন্দর জীবন গঠনে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব।
তিনি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং নিয়মিত বই পড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, একটি সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই। জাতীয় পর্যায়ে শেরপুরের কিশোর-কিশোরীদের এ অর্জন জেলার জন্য গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতেও তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কোচ ও অভিভাবকরাও শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদদের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, জেলা প্রশাসনের এ ধরনের উৎসাহ ও স্বীকৃতি তরুণদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসন শেরপুরের পক্ষ থেকে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত সকল ক্রীড়াবিদ, রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং শিক্ষা পদক অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে শেরপুরের মুখ আরও উজ্জ্বল করবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন