মিঠামইন প্রতিনিধি। মোক্তার হোসেন গোলাপ।
কিশোরগঞ্জের হাওরে নৌকা পারাপারে অতিরিক্ত টোল আদায় নিয়ে একটি মাল্টিমিডিয়া সংবাদ প্রচারের পর ওই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, একগুয়েমি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ঘাটের ইজারাদার।
ইজারাদারের অভিযোগ, প্রচারিত ভিডিও রিপোর্টে ইজারা আদায়কারী, ঘাট সংশ্লিষ্টদের এবং পারাপার হওয়া ভুক্তভোগী বা স্থানীয় যাত্রীদের কারো কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই না করে একপক্ষীয়ভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিপোর্টটি প্রচার করা হয়েছে, যার ফলে স্থানীয় সাংবাদিকদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে।
ইজারাদাররা জানান, তারা সরকার নির্ধারিত নিয়ম, টোল চার্ট ও তালিকা অনুযায়ীই ঘাটে টাকা আদায় করছেন। সরকারি নিয়ম মেনে ইজারা মূল্য পরিশোধ করেই তারা বৈধভাবে ঘাট পরিচালনা করছেন। এ নিয়ে যাত্রী বা স্থানীয়দের কোনো অভিযোগ নেই বলেও তারা দাবি করেন।
এদিকে দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিক মোক্তার হোসেন গোলাপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই ভিডিও রিপোর্ট সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। বাইরের একজন সাংবাদিক হাওরে ঢুকে অসম্পূর্ণ একটি রিপোর্ট পরিবেশন করেছে। যা একেবারেই সংবাদপত্রের নীতির বহির্ভূত।
তিনি আরও বলেন, একটি রিপোর্ট প্রচারের আগে সংশ্লিষ্ট ইজারাদার, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার নীতি। কিন্তু ওই রিপোর্টে তার কোনোটাই মানা হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, হাওরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান ভরসা এই নৌ-পারাপার। এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও একপেশে তথ্য প্রচার হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হবে এবং ঘাটে অপ্রীতিকর ঘটনা ও মারামারির আশঙ্কা থাকে।
মন্তব্য করুন