সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন অনন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা ও সুনামগঞ্জ আইডিয়াল কলেজের প্রফেসর মো. সোহাগ মিয়ার বাবা মো. নুরুল আমীন (৭০), মা মোছা. ফাতেমা খানম (৬০) এবং ছোট ভাই মো. ফরহাদ মিয়া (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৬ জুলাই) আসরের সময় বিকেল প্রায় ৪টা ৪০ মিনিটে পরিবারের বাড়ির সামনে থাকা ছোট একটি দোকানের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের লাইন ছিঁড়ে দোকানের টিনের চাল ও পুরো দোকান বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে।
এ সময় মো. ফরহাদ মিয়া দোকানের টিনের চালে হাত দিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আটকে যান। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে প্রথমে তার মা মোছা. ফাতেমা খানম এবং পরে বাবা মো. নুরুল আমীন এগিয়ে এলে তারাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
এ হৃদয়বিদারক ঘটনায় অনন্তপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং পুলিশ ও বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টদের খবর দেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বিদ্যুতের লাইন নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের পাশাপাশি বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন