আসন্ন ৪ নং বড়দল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত পুরো ইউনিয়নে নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্রভাবে একাধিক প্রার্থী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ মাসুক মিয়া। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, জনসংযোগ এবং স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি আবারও নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশ তার পক্ষে অবস্থান নিতে পারেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এছাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনাম উদ্দিন তালুকদারও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন। মাঠপর্যায়ে তার যোগাযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতা তাকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় আরও রয়েছেন— ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ,
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মোঃ কামরুল ইসলামের নামও আলোচনায় এসেছে। দলীয় সমর্থন ও সাংগঠনিক অবস্থান বিবেচনায় তিনি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এছাড়াও সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিনের নামও ভোটারদের আলোচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলে তিনি আবারও মাঠে নামতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা না করায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে কারা থাকবেন—তা নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন