পবিত্র ঈদুল আজহা অর্থাৎ কোরবানির উপলক্ষে জগন্নাথপুরে ১২ টি অস্থায়ী পশুর হাট স্থাপনের অনুমতি চেয়ে উপজেলা প্রশাসনের নিকট আবেদন করা হয়েছে। যানজট এড়াতে সড়কের উপর যেন এই হাট না বসে সে দিকটি খেয়াল রেখে অস্থায়ী পশু হাটের অনুমতি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
আর মাত্র কয়েক দিন বাকী ২৮শে মে পবিত্র ঈদুল আজহা অর্থাৎ কোরবানির ঈদ। এই ঈদে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে ধর্মপ্রাণ মুসলিম উম্মাহ সামর্থ্য অনুযায়ী গরু,ছাগল ও ভেড়া ইত্যাদি হালাল পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। এবং গ্রামে ও হাট-বাজার থেকে পশু ক্রয় করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবছর পবিত্র ঈদুল আজহা অর্থাৎ কোরবানির ঈদ উপলক্ষে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ১২ টি স্থানে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষে অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট আবেদন জানানো হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিপুল সংখ্যক ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটবে হাট-বাজার । এতে সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে নির্ধারিত স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট স্থাপন জরুরী। আবেদনকৃত বাজার গুলোর মধ্যে রয়েছে , সৈয়দপুর বাজার, নয়াবন্দর বাজার, বড়ফেচী বাজার, পল্লীগঞ্জ বাজার, ইনাতগঞ্জ বাজার ( জগন্নাথপুর অংশ), গোবিন্দ বাজার(কলকলি), কেউন বাড়ি বাজার, মিরপুর বাজার, লামাটুকের বাজার, মজিদপুর বাজার, জগন্নাথপুর পৌর শহরের কেশবপুর বাজার ও জগন্নাথপুর সদর বাজার। এছাড়া ও উপজেলার রসুলগঞ্জ বাজার ও রানীগঞ্জ বাজারে নিয়মিত পশুর হাট রয়েছে।
আবেদনকারীরা জানান, নির্ধারিত স্থানে অস্থায়ী গরুর বাজার স্থাপন করা হলে সাধারণ মানুষ সহজে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক থাকবে।
এ ব্যাপারে উপজেলার একাধিক ব্যক্তি তাদের অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিবছর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসে। আমরা বিভিন্ন বাজার ঘুরে বিনা পেরেশানীতে সহজেই সামর্থ্য অনুযায়ী পশু ক্রয় করতে পারি। তবে একটি বিষয় হলো বিগত বছর গুলোতে অনেক এলাকায় জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক এর উপর পশুর হাট বসায় যানবাহনে চলাচল ও পায়ে হেঁটে চলাচলের ক্ষেত্রে যানজট এর শিকার হতে হয়েছে। তাই সড়ক ব্যতীত নির্ধারিত স্থানে পশুর হাট স্থাপন করা হলে যানজট ও জনভোগান্তী লাগব থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক থাকবে।তাই জনস্বার্থে বিষয়টির প্রতি নজর রাখতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে আলাপকালে দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকাকে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইসলাম উদ্দিন বলেন, আবেদন পাওয়া অস্থায়ী পশুর হাট গুলোর অনুমোদনের জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষের নিকট প্রেরন করা হয়েছে। এখনও অনুমোদনের কোন পত্র আমরা পাইনাই।
মন্তব্য করুন