গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সিংহশ্রী ইউনিয়নের বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় পানি নিষ্কাশনের একটি কালভার্ট মাটি ভরাট করে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে সামান্য বৃষ্টি হলেই সিংহশ্রী-পাচুয়া সড়কের ওই অংশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে শিক্ষার্থী, মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিংহশ্রী ইউনিয়নের বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার উত্তর পাশ দিয়ে সিংহশ্রী থেকে পাচুয়া পর্যন্ত একটি সড়ক চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সড়কটির বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার পূর্ব পাশে দীর্ঘদিন ধরে একটি কালভার্ট চালু ছিল। স্থানীয়দের দাবি, কালভার্টটি সড়কের দক্ষিণ পাশের পানি নিষ্কাশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
অভিযোগ রয়েছে, সাহাব উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি কালভার্টের মুখ মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়ায় পানি নিষ্কাশনের পথটি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে না পেরে সড়কের ওপর জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে মাদ্রাসার ছাত্রী, পাশের মসজিদের মুসল্লি এবং পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সামান্য বা হালকা বৃষ্টিতেও সড়কের ওই অংশে পানি জমে যায়। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় সড়কে চলাচলের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতেও বিঘ্ন ঘটছে। একই সঙ্গে মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে শরীফ মিয়া বাদী হয়ে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে কালভার্টটি বন্ধ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পানি নিষ্কাশনের পথটি দ্রুত উন্মুক্ত করা না হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আরও বাড়তে পারে। এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সাহাব উদ্দিনের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত বা সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে কালভার্টের প্রকৃত অবস্থা নিরূপণ এবং পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন