পাবনার ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলী ইউনিয়নের মাছুয়াঘাটা গ্রামের সন্তান নাবিল রহমান যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Yale University থেকে কম্পিউটার সায়েন্স ও ইকোনমিক্স বিষয়ে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করে এলাকাবাসী ও দেশবাসীর গর্বে পরিণত হয়েছেন।
নাবিল রহমান বিএনপি ওয়াশিংটন ডিসির সহ-সভাপতি মোঃ মোকলেছুর রহমান লিটনের জ্যেষ্ঠ পুত্র। শুধু ডিগ্রি অর্জনই নয়, তিনি ইয়েলের হপার কলেজ থেকে “কাউন্সেল অ্যাওয়ার্ড” অর্জন করেছেন, যা তার অসাধারণ মেধা, নেতৃত্বগুণ ও একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সম্প্রতি নাবিল তার বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে ইয়েলের হেড অব কলেজ ড. ফাহমিদ হায়দার এবং ডাইরেক্টর অব মুসলিম লাইফ ইমাম ওমর বাজওয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, এটি ছিল তাদের জন্য অত্যন্ত গর্ব, আনন্দ ও আবেগঘন একটি মুহূর্ত।
১৭০১ সালে প্রতিষ্ঠিত Yale University বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। গবেষণা, আইন, অর্থনীতি, মেডিসিন ও কম্পিউটার সায়েন্সে প্রতিষ্ঠানটির বিশ্বব্যাপী সুনাম রয়েছে। সেখানে ভর্তি হওয়া যেমন কঠিন, তেমনি ফুল স্কলারশিপ অর্জন করাও অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। অসাধারণ মেধা, কঠোর পরিশ্রম, নেতৃত্বগুণ ও আন্তর্জাতিক মানের যোগ্যতা ছাড়া এমন অর্জন সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একটি সাধারণ সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার থেকে উঠে এসে নাবিল রহমান আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। শুধু পড়াশোনায় নয়, তিনি ইয়েলে মুসলিম স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে নিজের নেতৃত্ব ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, নাবিল রহমানের এই সাফল্যের পেছনে তার পরিবারের সততা, আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ বড় ভূমিকা রেখেছে। তার বাবা মোঃ মোকলেছুর রহমান একজন সৎ, আদর্শবান ও মানবহিতৈষী ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। মানুষের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ান বলেও জানান এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী আরও বলেন, “নাবিল যত বড়ই হোক, যত দূরেই যাক না কেন, সে তার বাবার আদর্শ, মানবিকতা ও দেশপ্রেম হৃদয়ে ধারণ করে এগিয়ে যাবে। একদিন সে শুধু ফরিদপুর বা পাবনার নয়, পুরো বাংলাদেশের জন্য গর্ব ও সম্মানের কারণ হবে— এই বিশ্বাস আমাদের দৃঢ়।”
নাবিল রহমানের ভবিষ্যৎ জীবন আরও সুন্দর, সফল ও বরকতময় হোক— এমন দোয়া করেছেন তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন