জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ১০ নম্বর গাইবান্ধা ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল ইসলাম ফেরদৌস। নির্বাচিত হলে চরাঞ্চলের কাঁচা রাস্তাগুলো পাকাকরণ, গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
এক সাক্ষাৎকারে নাজমুল ইসলাম ফেরদৌস বলেন, জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান তিনি। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নবঞ্চিত চরাঞ্চলের কাঁচা রাস্তাগুলো পর্যায়ক্রমে পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তিনি জানান, ১৯৯২ সাল থেকে তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ময়মনসিংহ বিভাগ, ঢাকা, জামালপুর ও নরসিংদীর বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
নাজমুল ইসলাম ফেরদৌসের দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দুইবার কারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া গত ১৫ বছরে তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব মামলাকে তিনি ‘গায়েবি মামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে প্রতিবেদনে স্বতন্ত্র কোনো নথি বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাইবান্ধা ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি দলের নেতা সুলতান মাহমুদ বাবুর কথা উল্লেখ করেন। নাজমুল ইসলাম ফেরদৌসের ভাষ্য, সুলতান মাহমুদ বাবু একজন ভালো মানুষ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর থেকে গাইবান্ধা ইউনিয়নকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী ও গোছানোর কাজে তিনি সক্রিয় রয়েছেন। ইউনিয়নের ১ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনগণের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ২ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু মানুষও তাকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন বলে জানান।
নাজমুল ইসলাম ফেরদৌস বলেন, জনগণের সঙ্গে তিনি অতীতেও ছিলেন, বর্তমানে আছেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকতে চান। দলীয় সিদ্ধান্ত এবং শেষ পর্যন্ত জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে গাইবান্ধা ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সেবায় কাজ করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন