
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নারকিলা এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ১০ লিটার চোলাইমদ ও ৬০০ লিটার ওয়াশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আসামি করে শাল্লা থানায় পৃথক নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত দুজনই পলাতক ছিলেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC), জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জ ‘খ’ সার্কেলের উদ্যোগে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নারকিলা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করা হয় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ১টার মধ্যে। এ সময় নারকিলা গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান (৪৪)-এর নিজ দখলীয় পূর্ব দুয়ারী টিনের বেড়া ও টিনের ছাউনিযুক্ত চার কক্ষবিশিষ্ট বসতঘর এবং আঙিনায় অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে ৫ লিটার চোলাইমদ ও ৬০০ লিটার ওয়াশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৩৬(১) সারণির ক্রমিক নং ২৪(ক) ও ৩৭ ধারায় শাল্লা থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
অপরদিকে, একই দিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে একই এলাকার পলাতক আসামি রব্বানী (৩০)-এর নিজ দখলীয় পশ্চিম দুয়ারী টিনের বেড়া ও টিনের ছাউনিযুক্ত গোয়ালঘরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ১০ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মদের আনুমানিক মূল্য ১০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
রব্বানীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৩৬(১) সারণির ক্রমিক নং ২৪(ক) ধারায় শাল্লা থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুই অভিযানের মামলার বাদী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. আতাউর রহমান সজীব।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের উপপরিচালক মোঃ আবুল হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন