
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ‘গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক—সড়ক অগ্রাধিকার ও তথ্য যাচাই’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ সড়কের বর্তমান অবস্থা, জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক চিহ্নিতকরণ, সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং বিদ্যমান তথ্য যাচাই-বাছাই নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুনাব আলী, উপজেলা বিএনপি যুগ্ম আহব্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহিবুল ইসলাম,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুলেমান মিয়া সহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যাক্তিবর্গ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কর্মশালায় উপজলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, “কোনো সড়ককে অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু সড়কের দৈর্ঘ্য নয়, এর সঙ্গে কত মানুষের যোগাযোগ, কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সঠিক তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে কোর রোড নেটওয়ার্ক চূড়ান্ত করা হলে উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও কার্যকর হবে।”
তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুনাব আলী বলেন, “গ্রামীণ সড়কগুলো আমাদের এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে কৃষিপণ্য পরিবহন ও মানুষের চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করা প্রয়োজন। জনগণের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।”
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল বলেন, “গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগের দুর্ভোগ দূর করতে টেকসই সড়কব্যবস্থা প্রয়োজন। কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের মতামত ও বাস্তব পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা করা হলে এর সুফল সাধারণ মানুষই বেশি পাবেন।”
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠলে প্রত্যন্ত এলাকার সঙ্গে উপজেলা সদর,জেলা সদর ও গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোর যোগাযোগ সহজ হবে। এতে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করার পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগও বাড়বে।
কর্মশালায় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মন্তব্য করুন