
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার এরালিয়া গ্রামে পূর্ববিরোধের জেরে রাতের আঁধারে এক বৃদ্ধার উপর দাঁড়ালো অস্ত্র দা লাঠিসোটা নিয়ে পাশের বাড়ির লোকজন হামলা চালিয়ে এক বৃদ্ধা কুপিয়ে হাতে থাকা ৫০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়নের এরালিয়া গ্রামে।
স্থানীয় ও আহতের স্বজনরা জানান, সারাদিন কাজে থেকে এসে ৬০ বছরের বৃদ্ধা তাজুল ইসলাম পাশের গ্রামে ছোয়াপুর গ্রামে আব্দুল হাকিমের বাড়িতে হাওলাতি পাওনা ৫০হাজার টাকা দিতে টাকা নিয়ে যাওয়ার পথে পাশের বাড়ি সাইফুলের বাড়ির সামনে আসা মাত্রই হামলাকারী এরালিয়া গ্রামের বশির মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম,সাফিকুল,সাইফুলের স্ত্রী জরিনা বেগম ও তাদপর মা মিনারা বেগম মিলে পিছন থেকে তাজুল ইসলামের উপর দাঁড়ালো অস্ত্র দা দিয়ে মাথায়,নাকে কোপ মারে রক্তাক্ত করে এবং শরীরের বিভিন্নস্হানে লাঠি দিয়ে প্রচন্ড আঘাত করে। অধিক রক্তখননে তিনি তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় হামলাকারীরা বৃদ্ধার কোমড়ে থাকা ৫০হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে জানান আহতদের স্বজনর। একটু পরে গুরুতর আহত তাজুল ইসলামের চিৎকার শুনে তার পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তবে আহতের স্বজনরা জানান তাজুল ইসলামকে হত্যার পূর্বপরিকল্পনা নিয়েই মাথায় ও নাকে দা দিয়ে কোপ দিয়ে রক্তাক্ত করে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে মারপিট করে বনের ঝোপের মধ্যে নিয়ে যায় এবং হত্যার চেষ্টা করে হামলাকারীরা । আহত অবস্থায় স্থানীরা তাজুল ইসলামকে উদ্ধার করে রাতেই তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাজুল ইসলামের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। তাজুল ইসলাম বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। তবে হামলাকারীরা ও একই গ্রামের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে তাজুল ইসলামের ছেলের সহধর্মিনী তামান্না জানান আমার শ্বশুর তাজুল ইসলাম আমাদের পাশের হুসনপুর গ্রামে আমাদের এক স্বজনের নিকট হতে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ৮টায় পাশের বাড়ির সাইফুল ইসলাম,,সাফিকুর রহমান,সাইফুলের স্ত্রী জরিনা বেগম ও তাদের মা মিনারা বেগম মিলে পূর্বপরিকল্পিভাবে দা ও লাঠিসোটা নিয়ে আমার শ^শুরের উর হামলা চালায় এবং তাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। তিনি এই হামলার ঘটনার সুষ্টুুবিচার বিচার দাবি করেন।
এ ব্যাপারে হামলাকারী সাইফুল ইসলামের ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার মতামত জানা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ আরিফ উল্ল্যাহ জানান কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হবে। তবে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়। ##
মন্তব্য করুন