
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য ফজলুর রহিম কাজলের(৫০) ঝুলন্ত মরদেহ আজ সকালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের বিরামপুরের গোরস্তানের পাশে একটি গাছের মগডাল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার সকালে মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরীবাড়ির পেছনের গোরস্তানে একটি গাছের ডালে তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছের মগডালে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। নিহতের নাম ফজলুর রহিম কাজল মিয়া (৫০)। তিনি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। এখন ধর্মপাশার একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায়, আজ সকালে বিরামপুর গোরস্তানের ওপর একটি গাছের ডালে কাজলের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। তার গলায় দড়ি লাগানো ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে সেখানে লোকজন জড়ো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
কাজলের বড় ভাই বুলবুল মাস্টার বললেন, ‘গত বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে সর্বশেষ আমার ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল। পরে রাতে থানায় নিখোঁজের জিডি করি। আজ সকালে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের ডালে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পাই। আমার ভাইকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমি সরকারের কাছে এর সঠিক বিচার চাই।
মোহনগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি
হাফিজুর ইসলাম হারুন জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
## এম এম এ রেজা পহেল
মন্তব্য করুন