সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদের জীবনমান উন্নয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, পরিকল্পিত উদ্যোগ ও নিরলস প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের অবহেলিত এই ইউনিয়নে এখন দৃশ্যমান উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বদলে যাচ্ছে পুরো জনপদের চিত্র।
চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন শুরু হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অভ্যন্তরীণ কাঁচা রাস্তা পাকা (কার্পেটিং) এবং এইচবিবি (HBB) দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্গম এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক ব্রিজ ও কালভার্ট। ফলে স্থানীয় কৃষকরা এখন সহজেই তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে পারছেন এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে এসেছে স্বস্তি।
শিক্ষাখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ এবং সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে নেওয়া হয়েছে সচেতনতামূলক উদ্যোগ। অন্যদিকে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নেও চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত তদারকি, প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ভিজিএফ, ভিজিডি ও বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্যোগকালীন সময়ে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে চেয়ারম্যান সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে ইউনিয়নের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা উন্নয়ন কাজগুলো বর্তমান চেয়ারম্যান অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করেছেন। তার নেতৃত্বে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে এবং মানুষের জীবনযাত্রা আরও সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ বলেন, “জনগণ আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমার লক্ষ্য হচ্ছে সুরমা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা। সরকারের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এই উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
মন্তব্য করুন