আসন্ন ৫ নং ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও সমাজসেবক মো. নূর আলম তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
শনিবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের সন্তান। এই ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। জনগণ ও দলের আস্থা অর্জন করে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে ধুকুরিয়াবেড়াকে একটি আধুনিক, উন্নত ও রোল মডেল ইউনিয়নে পরিণত করবো।”
নূর আলম জানান, তিনি ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বেলকুচি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে সততা, নিষ্ঠা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছি এবং বিভিন্ন সময় কারাবরণ করেছি। জনগণের অধিকার আদায়ে সবসময় রাজপথে ছিলাম। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”
নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রাস্তা-ঘাট, সেতু-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-মাদ্রাসা এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নেওয়া হবে। ইউনিয়ন পরিষদের সেবা হবে সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত।”
তিনি আরও বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, অনলাইন জুয়া বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।”
নূর আলম বলেন, “আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবা। আমি একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, “মহান আল্লাহর রহমত, দলের নেতৃত্বের আস্থা এবং জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করবো। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্য সেবা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।”
মন্তব্য করুন