সুনামগঞ্জের তাহিরপুর আমলি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ নম্বর উত্তর বড়দল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবুল খায়ের সজলকে আটক করেছে আদালত পুলিশ।
সে উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের মোঃ রহিম উদ্দিনের ছেলে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাহিরপুর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি জিল্লুর আখঞ্জী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক মোহাম্মদ এমদাদ তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, একই মামলার অন্যান্য আসামিদের হাজিরার দিন হওয়ায় আদালত প্রাঙ্গণে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। জিল্লুর আখঞ্জীকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় তাঁর সমর্থকদের একটি অংশ আদালত ভবনের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করলে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, জামিন পাওয়া আসামি আবুল খায়ের সজল কৃষক লীগ নেতার জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত প্রাঙ্গণে মিছিল করেন। পরে আদালত পুলিশ তাকে আটক করে সদর থানায় হস্তান্তর করে।
জিল্লুর আখঞ্জী তাহিরপুর উপজেলার ঠাকুরহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি।
আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোজ্জামেল হোসেন বলেন, একটি মামলার ৪০ জন আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন। কৃষক লীগ নেতাকে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে বাইরে থাকা সমর্থকরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, আদালত থেকে একজনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন