সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় ২০ একরের উপরে জলমহাল গোলো ইজারা মূল্য বেশি হওয়ায় দুইবার দরপত্র আহ্বান করেও ইজারা দিতে পারেনি প্রশাসন। ইজারা না দেওয়ায় সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। নদী ও হাওরের নব্যতা কমে যাওয়ার ফলে মাছের পরিমান কমে গেছে। বর্তমানে সরকারি ইজারা মূল্য বেশি হওয়ায় ইজারাদারা টেন্ডারে অংশ গ্রহন করেনি। যদি ইজারা মূল্য কমিয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয় তাহলে সকলেই ইজারা নিতে আগ্রহী হবে, সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব পাবে।
যে জলমহাল গোলো ইজারা হয়নি সেগুলো হলো, ফেরাগাং ফেরার বিল,মৌজা নোয়াগাও, জেএল নং ৪৬, ৯৩.৩০ একর, পূর্বে মূল্য ছিল, ৫১,১৫,২৩২/ টাকা, বর্তমান মূল্য ধরা হয়েছে, ৫৩,৭০,৯৯৪/ টাকা। অন্য গোলো হলো চানপুরের দাইড়, চিতলিয়ার কুড়, চাদরা বিল গ্রুপ, শয়তানখালী নদীর খেও, গলা ভাঙ গোল বিল প্রত্যেকটা জলমহালের ইজারা মূল্য বেশি হওয়ায় এখনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় ইজারাদারা বলছে, ইজারা মূল্য কমিয়ে দরপত্র আহ্বান করলে আমরা নিতে পারবো, যদি বর্তমান মূল্যে ইজারা নিলে আমাদের লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান গুনতে হবে। তাই আমরা সরকারের কাছে ইজারা মূল্য কমানোর দাবি জানাই।
ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও জনি রায় বলেন, দুইবার দরপত্র আহ্বান করার পরেও ইজারা না হওয়ায়, সুনামগঞ্জ জেলা প্রসাশক মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে, ধর্মপাশা উপজেলায় খাস কালেকশনের মাধ্যমে দরপত্র আহ্বান করে এই জলমহাল গোলো ইজারা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন