:-সিলেটের কানাইঘাট কোয়ারি খুলার দাবি, পাথর চুরি/ লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ কতৃক তদন্তে অনিয়মের প্রতিবাদ ও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবী, পিয়াস এন্টারপ্রাইজ কতৃক মহামান্য হাইকোর্টে ১২২০৫/২৫ তারিখের রিটপিটিশনের মাধ্যমে অন্যায় ভাবে পাথর নেওয়ার দাবী বিরুদ্ধে (লোভাছড়া লোড-আনলোড শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিনং সিলেট ৮০ সি.বি.এ) কতৃক দাখিলকৃত দরখাস্তের প্রেক্ষিতে,গত মঙ্গলবার কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর কোয়ারি পরিদর্শনে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।জানা যায় খনিজ সম্পদ ব্যুরো হইতে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন, খনিজ সম্পদ উন্নয়নের সিনিয়র সহকারী পরিচালক রুহুল আমিন, সহকারী পরিচালক জনাব মাসুক উন-নবী, কানাইঘাট উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাবা সুমাইয়া ফেরদৌস, কানাইঘাট থানার এসি ল্যান্ড তাপস চক্রবর্তী তুষার প্রমুখ।
পরিদর্শন কালে এলাকার ব্যবসায়ী সুহেল আহমেদ চৌধুরী, সালমান আহমদ, আফসার উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, সহ অন্যান্য সাধারণ ব্যবসায়ী, শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি আখতার হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, ও অন্যান্য সাধারণ শ্রমিক, ১নং ইউ.পি সদস্য নাজিম উদ্দীন, বিএনপি নেতা সুহেব আহমদ, মস্তফা কামাল, জমিয়ত নেতা মীম সালমান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ও উপস্থিত জনতা পরিদর্শনে আসা খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে দাবী কয়েটি দাবী উত্তোলন করেন।দাবী হল:-১। অনতি বিলম্বে কোয়ারী উন্মুক্ত করে ইজারা প্রদান করা।
২। পিয়াস এন্টারপ্রাইজ কতৃক অন্যয্য দাবী সম্পর্কে সবাই বলেন যে পিয়াস এন্টারপ্রাইজ এর আর কোন পাথর নেই, এবং আরোও বলেন যে পিয়াস তার খরিদকৃত পাথরের তিনগুন নিয়েছেন।
৩। পাথর চুরি লুটপাট মামলাটি পুনরায় তদন্ত করা এবং অব্যায় ভাবে কাউকে হয়রানি না করার জন্য অনুরোধ করেন।
আরও দাবী করেন যে পিয়াস এন্টারপ্রাইজ তৎকালীন সময়ে প্রশাসন কে ম্যানেজ করে মেমো রশিদ ছাড়া এবং রশিদ দিয়ে মেমো রশিদে উল্লেখিত পাথরের পরিমাণ কম কম দিয়ে আবার কখনে রশিদ ছাড়া ও পাথর বেহিসাব অপসারণ করে নিয়েছেন যাহা তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকায় পাথর লোটপাট প্রসঙ্গ শিরোনাম হয়েছিল কিন্ত পিয়াস এন্টারপ্রাইজ পাথর অপসারনের হিসাব গোপন ও রশিদ গোপন, রশিদ গোপন করে অন্যায় ভাবে আদালতের স্বরণাপন্ন হয়ে আবারো পাথর নেওয়ার পায়তারা করতেছেন। পাথর খেকো চক্র,স্থানীয় লোকজন আরোও বলেন যে সিলেটের সাবেক দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শেরে-মাহবুব মরাদ এর সাথে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে পাথর লুটপাট করেন পিয়াস এন্টারপ্রাইজ এর সাথে অংশীদার ২২ জনের চক্র।আমরা শ্রমিক জনতা এই বার আর পিয়াস এন্টার প্রাইজও পাথর খেকো চক্র কে পাথর নিতে দিবোনা।কেননা আমাদের রীটকৃত পাথর থেকে আরো প্রায় ১৫ লক্ষ ফুট পাথর নিয়ে গেছেন। আরো বলেন পিয়াস এন্টারপ্রাইজ অবৈধ ভাবে ২৩/৭/২৫ হইতে ১৯/৮/২৫ পর্যন্ত নির্বিঘ্নে পাথর অপসারণ করলে ও তাহাকে পাথর চুরি ও লুটপাট মামলার অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই।আমরা জোর দাবী জানাচ্ছি যে অবিলম্বে পাথর চুরি /লুটপাট মামলা টি বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হউক।
মন্তব্য করুন