
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে আনা প্রায় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৩ হাজার ৭০৮ কেজি ভারতীয় ফুচকা জব্দের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে আক্তার মিয়া ও তার মেয়ে সাবিকুন্নাহারকে আসামি করা হয়েছে। রবিবার ৪ অক্টোবর সকালে সাবিকুন্নাহার সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে আক্তার মিয়া আদালতে হাজির হননি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তাহিরপুর থানাধীন উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমবাড়ী সাকিনের গোলহাটি এলাকায় অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এসআই সাব্বির আহসানের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল একটি বসতঘরের দক্ষিণ পাশের কক্ষে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে আনা বিপুল পরিমাণ ফুচকা জব্দ করে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে ৩ হাজার ৭০৮ কেজি ভারতীয় ফুচকা জব্দ করা হয়। স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা হিসাবে জব্দকৃত ফুচকার আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০ টাকা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় শাকিল (৪৫), মিলন মিয়া (২৭), ফরিদ মিয়া (৪০), শফিকুল ইসলাম (৪০) ও আল আমিন (৪০)-এর নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।
পরবর্তীতে ওই অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে আক্তার মিয়া ও তার মেয়ে সাবিকুন্নাহারকে আসামি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মেয়ের জামিন নামঞ্জুর, আদালতে যাননি আক্তার
মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৪ অক্টোবর সকালে সাবিকুন্নাহার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে মামলার আরেক আসামি আক্তার মিয়া ওই দিন আদালতে হাজির হননি।
এ বিষয়ে আক্তার মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার মেয়ের আদালতে হাজিরা ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “আমার মেয়ে সাবিকুন্নাহার এই মামলার আসামি। সে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছিল। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তবে আমি এই মামলার আসামি নই।
মন্তব্য করুন