• ঢাকা
  • সোমবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ভোর ০৪:২৫
  • ১০ ফাল্গুন, ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

মধ্যনগর সদর ইউপি চেয়ারম্যানের ‘নারী কেলেঙ্কারী’ ধামাচাপা দিতে ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা

রিপোর্টার : দৈনিক আলোর সকাল
মধ্যনগর সদর ইউপি চেয়ারম্যানের ‘নারী কেলেঙ্কারী’ ধামাচাপা দিতে ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

 নিজস্ব প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা এক ‘নারী কেলেঙ্কারীর’ ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

 ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, মূল ঘটনা থেকে জনদৃষ্টি সরাতে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসানকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়ার সাথে এক নারীর আপত্তিকর ঘটনার ভিডিও এবং তথ্য জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে বিপাকে পড়েন সাত্তার মিয়া।

অভিযোগ উঠেছে, নিজের এই অনৈতিক কর্মকাণ্ড আড়াল করতে এবং আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে প্রভাবশালী এই জনপ্রতিনিধি উল্টো ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন।উল্লেখ্য যে মেহেদী হাসান নারী কেলেংকারীর তীব্র প্রতিবাদ করায় তাকে উল্টো ফাসানোর চেষ্টা করে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়া। 

মেহেদী হাসানের অনুসারী ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, মেহেদী হাসান এলাকায় জনপ্রিয় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।অসহায় নারীদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করায় ছাত্রদল নেতাকে জড়িয়ে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করে চেয়ার টেবিল মাটিতে ফেলে নাটক সাজিয়ে মেহেদী হাসান কে রাজনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার পরিকল্পনা করে ডেবিল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়া। এলাকার মানুষের দাবি অনতিবিলম্বে এরকম লম্পট চেয়ারম্যান কে তার দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে আইনের আওতায় আনা হউক। 

মেহেদী হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানান:"চেয়ারম্যানের অনৈতিক কর্মকাণ্ড এখন ওপেন সিক্রেট। নিজের অপরাধ ঢাকতে তিনি আমাকে এবং আমার সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছেন। আমি এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানাই এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করছি।"

এদিকে,মধ্যনগর ইউনিয়ন পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়ার এমন কর্মকাণ্ডে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাত্তার মিয়া বলেন,মহিলাটি আমার আত্মীয় আমি আর সে পাশাপাশি বসেছিলাম। ভিডিওটি আগের মেহেদীর সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়েছে পরে বসে এটার সমাধান হয়েছে। মহিলার সাথে ঘটনার সমাধান হয়েছে কি না জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন সমাধান হয়েছে।


তাহিরপুর

সুনামগঞ্জ

আরও পড়ুন