ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
নিজস্ব প্রতিবেদক
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মো: এনামুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবারের ঈদুল ফিতরের জামাতে জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রাচীন ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯তম ঈদ জামাত, যেখানে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
লাখো মানুষের সঙ্গে কাতারবন্দী হয়ে ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে নামাজ আদায়ের অনুভূতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, এটি যেন এক মহামিলন মেলা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিরা রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে এই পবিত্র ময়দানে একত্রিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন, যা ইসলামি ভ্রাতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
শোলাকিয়া ঈদগাহকে তিনি শুধু একটি মাঠ হিসেবে নয়, বরং আবেগ, ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তার ভাষায়, “মানুষের এই বিশাল সমুদ্র আর হৃদয়ের আকুলতা দেখে বারবার মনে হয়—শোলাকিয়া আমাদের ঐতিহ্য ও গর্বের প্রতীক।”
এ সময় তিনি মহান আল্লাহর কাছে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সকলের ইবাদত ও নেক আশাগুলো কবুলের জন্য দোয়া কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।
ঐতিহাসিক এই শোলাকিয়া ঈদগাহ প্রতি বছরই দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাতের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, যেখানে ঈদের দিন সৃষ্টি হয় এক অনন্য ধর্মীয় মিলনমেলা।